অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৫
আপনি কি ঘরে বসে বাড়তি আয়ের কথা ভাবছেন? অথবা প্রচলিত চাকরির বাইরে নিজের সময়মতো কাজ করে স্বাধীনতা চান? ডিজিটাল যুগের এই সময়ে অনলাইনে ইনকাম করাটা শুধু স্বপ্ন নয়, বরং সঠিক পথ জানলে এটাই বাস্তবতা। কিন্তু ইন্টারনেটে আয়ের হাজারো উপায়ের ভিড়ে কোনটি আপনার জন্য সেরা, কীভাবে শুরু করবেন, কোথায় প্রতারণার ফাঁদ পাতা আছে – এই সব ভেবে দ্বিধায় ভুগছেন কি?
চিন্তার কারণ নেই! এই ব্লগ পোস্টটি আপনার জন্যই লেখা হয়েছে। এখানে আমরা আলোচনা করব অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে কার্যকর এবং পরীক্ষিত কিছু উপায় নিয়ে। ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিংবা অনলাইন ব্যবসা – প্রতিটি পথের সুবিধা, অসুবিধা এবং শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হবে।
এই পোস্টটি পড়ার পর আপনি শুধু বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে জানবেনই না, বরং নিজের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী সঠিক পথটি বেছে নিয়ে অনলাইনে আয়ের পথে যাত্রা শুরু করার আত্মবিশ্বাসও খুঁজে পাবেন। অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আপনাকে হাতে কলমে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলান দেব।
আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা অনলাইনে আয় করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, Social Media and Gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সের আধুনিক জেনারেশনরা অনলাইনে টাকা আয় করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
অনলাইনে ইনকাম করতে কি প্রয়োজন?
অনলাইনে আয় করার স্বপ্ন দেখেন অনেকেই, কিন্তু প্রশ্ন জাগে – সফলভাবে এই পথে যাত্রা শুরু করতে আসলে কি কি প্রয়োজন? শুধু ইচ্ছা থাকলেই কি হয়, নাকি এর জন্য চাই নির্দিষ্ট প্রস্তুতি এবং সরঞ্জাম? সফল ফ্রিল্যান্সার বা অনলাইন উদ্যোক্তা হতে গেলে কিছু মৌলিক বিষয় নিশ্চিত করা জরুরি।
এই অংশে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব অনলাইনে ইনকাম করতে কি কি জিনিস আবশ্যক সেই বিষয়ে, যাতে আপনি আপনার প্রস্তুতি সঠিকভাবে নিতে পারেন।
১. প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম
যেকোনো কাজ করতে যেমন যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়, তেমনি অনলাইন কাজেরও কিছু মৌলিক সরঞ্জাম লাগে। এগুলো হলো—
- কম্পিউটার বা ল্যাপটপ: বেশিরভাগ অনলাইন কাজের জন্য এটি আপনার প্রধান হাতিয়ার। গ্রাফিক্স ডিজাইন, লেখালেখি, প্রোগ্রামিং বা ডাটা এন্ট্রি – প্রায় সব কাজেই একটি কম্পিউটার অপরিহার্য। তবে কিছু প্রাথমিক কাজ ভালো মানের স্মার্টফোন দিয়েও শুরু করা যেতে পারে।
- স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ: অনলাইন কাজের প্রাণ হলো ইন্টারনেট। একটি নির্ভরযোগ্য ও মোটামুটি ভালো গতির ইন্টারনেট সংযোগ (যেমন ব্রডব্যান্ড বা ভালো মোবাইল ডেটা প্যাক) ছাড়া অনলাইনে কাজ করা প্রায় অসম্ভব।
- স্মার্টফোন: ক্লায়েন্টদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ, ছোটখাটো কাজ করা, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট বা অ্যাপ-ভিত্তিক আয়ের জন্য একটি স্মার্টফোন থাকা জরুরি।
- ওয়েবক্যাম ও মাইক্রোফোন (ঐচ্ছিক): আপনি যদি অনলাইন মিটিং, টিউটোরিং, বা ভিডিও কনটেন্ট তৈরির কাজ করতে চান, তবে একটি ভালো মানের ওয়েবক্যাম ও মাইক্রোফোন দরকার হবে।
২. দক্ষতা ও জ্ঞান
সরঞ্জাম থাকলেই হবে না, সেগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন সঠিক দক্ষতা ও জ্ঞান। অনলাইন ইনকামের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাগুলো হলো—
- নির্দিষ্ট মার্কেটএবল স্কিল (Marketable Skill): এটাই আপনার আয়ের মূল ভিত্তি। আপনি কোন কাজটি করে টাকা উপার্জন করতে চান? লেখালেখি (Content Writing), গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং (SEO, SMM), ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ডেটা এন্ট্রি, অনুবাদ, ভিডিও এডিটিং – এমন অসংখ্য কাজের যেকোনো একটিতে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ আছে এবং বাজারে চাহিদা আছে, তেমন একটি স্কিল বেছে নিন ও তাতে পারদর্শী হয়ে উঠুন।
- কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান: ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা, গুগল সার্চ ব্যবহার করা, সাধারণ সফটওয়্যার (যেমন Microsoft Office বা Google Workspace) চালানো ইত্যাদি বেসিক বিষয়গুলো জানতে হবে।
- ভাষা জ্ঞান (বিশেষত ইংরেজি): আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে (যেমন Upwork, Fiverr) কাজ করতে চাইলে ইংরেজি ভাষায় অন্তত লিখতে ও পড়তে পারার দক্ষতা থাকা খুব জরুরি। ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগের জন্য এটি অপরিহার্য।
৩. মানসিক প্রস্তুতি ও ব্যক্তিগত গুণাবলী
সরঞ্জাম আর দক্ষতা থাকলেই অনলাইনে আয় নিশ্চিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক মানসিকতা এবং কিছু ব্যক্তিগত গুণাবলী—
- ধৈর্য ও অধ্যবসায়: অনলাইনে আয় রাতারাতি হয় না। প্রথমদিকে কাজ পেতে বা আয় বাড়াতে সময় লাগতে পারে। হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
- শেখার আগ্রহ: অনলাইন জগত খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়। নতুন টুলস, টেকনোলজি এবং কাজের কৌশল সম্পর্কে sürekli শিখতে আগ্রহী থাকতে হবে।
- শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা: ঘরে বসে কাজ করার স্বাধীনতা থাকলেও, নিজে থেকে রুটিন মেনে কাজ করা এবং ডেডলাইন অনুযায়ী কাজ শেষ করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
- যোগাযোগ দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব: ক্লায়েন্টের সাথে পরিষ্কারভাবে কথা বলা, তাদের চাহিদা বোঝা এবং সময়মতো মানসম্মত কাজ ডেলিভারি দেওয়া – এই পেশাদার মনোভাব ধরে রাখা জরুরি।
৪. অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়
উপরের বিষয়গুলো ছাড়াও আরও কিছু জিনিস প্রয়োজন হবে। কারণ অধিকাংশ লোক উপরের সবগুলো সত্বেও নিচের সামান্য বিষয় না জানার কারনে অনলাইনে ইনকাম করতে বাধার সম্মুখি হন—
- পেমেন্ট গ্রহণের ব্যবস্থা: আপনার অর্জিত অর্থ গ্রহণ করার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম প্রয়োজন। এর জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (যেমন বিকাশ, নগদ) অথবা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (যেমন Payoneer, Wise) এর অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।
- কাজের প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে জানা: কোথায় কাজ খুঁজবেন বা নিজের সার্ভিস অফার করবেন (যেমন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস, সোশ্যাল মিডিয়া, বা নিজস্ব ওয়েবসাইট) সে বিষয়ে ধারণা রাখতে হবে।
সুতরাং, দেখতেই পাচ্ছেন, অনলাইনে ইনকাম করতে যেমন কিছু সরঞ্জাম ও দক্ষতা প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন সঠিক মানসিকতা এবং প্রস্তুতি। এই উপাদানগুলো একত্রিত করতে পারলেই আপনি অনলাইন আয়ের সম্ভাবনাময় জগতে সফলভাবে প্রবেশ করতে পারবেন।
অনলাইনে ইনকাম ২০২৫
আপনি ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন কি না, সে বিষয়টি আমি শুরুতে ক্লিয়ার করে নিচ্ছি। কারণ অধিকাংশ লোকের কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকার কারনে অনলাইনে কাজ করতে চায় না। তারা মনেকরে কম্পিউটার ছাড়া মোবাইল দিয়ে অনলাইন হতে আয় করার সম্ভব নয়।
কিন্তু আপনি হয়ত জানেন না যে, কম্পিউটার ছাড়াও শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ঘরে বসে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। আপনার নিকট যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল থাকে তাহলে আপনি সেই স্মার্টফোন দিয়ে অনলাইন হতে মাসে কিছু টাকা আয় করে নিতে পারবেন।
অনলাইনে ইনকাম করার উপায়
আমার অনেক পরিচিত লোক রয়েছে যারা অনলাইন হতে প্রতি মাসে লাখ টাকা ইনকাম করছে। আবার এমনো কিছু পরিচিত ব্যক্তি আছে যারা অনলাইনে ইনকাম করে তাদের পরিবারেরে ভরণ পোষণ সহ বিলাসিতার জীবন যাপন করছে।
আমি নিজেও ২০১৫ সাল হতে অদ্যাবধি চাকরির পাশাপাশি প্রতি মাসে কিছু টাকা অনলাইনে ইনকাম করে যাচ্ছি। আশাকরি আপনার সকলের আন্তরিকতা ও ভালবাসা পেলে ভবিষ্যতে অনলাইনে ইনকামের পরিমানটা আরো বৃদ্ধি করতে পারব।
০১। ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম

আজকের ডিজিটাল যুগে ফেসবুক শুধু বন্ধু বা পরিবারের সাথে যুক্ত থাকার মাধ্যমই নয়, এটি আয়ের একটি সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্মেও পরিণত হয়েছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ব্যবহারকারীর এই বিশাল নেটওয়ার্কে সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে আপনিও ঘরে বসেই আয় করতে পারেন। কিন্তু ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করাটা কি সত্যিই সম্ভব? হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব! তবে এর জন্য প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান, কৌশল এবং ধৈর্য।
অনেকেই জানেন না কিভাবে ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে আয় করা যায়। কেউ হয়তো পেজ খুলে বসে আছেন, কেউ বা ভিডিও দিচ্ছেন, কিন্তু কিভাবে আয় আসবে সেটা নিয়ে ধোঁয়াশায় আছেন। আপনার এই দ্বিধা দূর করতেই আজকের পোস্ট।
এই অংশে আমরা ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার সবচেয়ে কার্যকর এবং জনপ্রিয় ৫টি উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যা আপনাকে একটি পরিষ্কার ধারণা দেবে এবং আয়ের পথে যাত্রা শুরু করতে সাহায্য করবে।
1. ফেসবুক রিলস থেকে আয়
ছোট ভিডিওর জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ফেসবুক রিলস (Reels) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ফেসবুক ক্রিয়েটরদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন সময়ে 'Reels Play Bonus Program' চালু করে, যদিও এটি আমন্ত্রণ-ভিত্তিক এবং সব অঞ্চলে সবসময় চালু নাও থাকতে পারে। এছাড়াও, রিলসে বিজ্ঞাপন দেখানোর ফিচার (Ads on Reels) চালু হচ্ছে যা ভবিষ্যতে আয়ের একটি বড় মাধ্যম হবে।
- কিভাবে কাজ করে: বোনাস প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভিউ বা পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে ফেসবুক বোনাস প্রদান করে। Ads on Reels চালু হলে আপনার রিলসের মধ্যে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং সেখান থেকে আয় হবে।
- যোগ্যতা: বোনাস প্রোগ্রামের জন্য ফেসবুক থেকে আমন্ত্রণ পেতে হয়। Ads on Reels এর যোগ্যতা ফেসবুক নির্ধারণ করবে এবং এটি ধীরে ধীরে বিভিন্ন ক্রিয়েটরের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
- টিপস: নিয়মিত আকর্ষণীয়, মজাদার ও ট্রেন্ডিং টপিকের উপর রিলস তৈরি করুন। উচ্চ মানের ভিডিও আপলোড করুন।
2. ফেসবুক ভিডিও মনিটাইজেশন
ফেসবুক থেকে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। আপনি যদি নিয়মিত ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করেন, তবে আপনার ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে ফেসবুক আপনাকে আয়ের সুযোগ করে দেয়।
- কিভাবে কাজ করে: যখন দর্শকরা আপনার ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওগুলো দেখে, তখন ভিডিওর শুরুতে, মাঝে বা শেষে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেখায়। এই বিজ্ঞাপন থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ ফেসবুক আপনাকে প্রদান করে।
- যোগ্যতা:
- আপনার একটি ফেসবুক পেজ থাকতে হবে (প্রোফাইল নয়)।
- পেজে কমপক্ষে ৫,০০০ ফলোয়ার থাকতে হবে।
- শেষ ৬০ দিনে মোট ৬০,০০০ মিনিট ভিউ হতে হবে (লাইভ, অন-ডিমান্ড বা পূর্বের লাইভ ভিডিও মিলিয়ে)।
- পেজে কমপক্ষে ৫টি সক্রিয় ভিডিও থাকতে হবে।
- ফেসবুকের Partner Monetization Policies এবং Content Monetization Policies মেনে চলতে হবে।
- আপনার বয়স ১৮+ হতে হবে এবং একটি মনিটাইজেশন-সমর্থিত দেশে (বাংলাদেশ বর্তমানে সমর্থিত) বসবাস করতে হবে।
- টিপস: নিয়মিত আকর্ষণীয় ও লম্বা (সাধারণত ৩ মিনিটের বেশি) ভিডিও তৈরি করুন যা দর্শকদের ধরে রাখে। কপিরাইটমুক্ত কনটেন্ট ব্যবহার করুন।
3. ফেসবুকে পণ্য বা সেবা বিক্রি
আপনার যদি নিজস্ব কোনো পণ্য (যেমন: পোশাক, হস্তশিল্প, খাবার) বা সেবা (যেমন: গ্রাফিক ডিজাইন, টিউশন, কনসালটেন্সি) থাকে, তবে ফেসবুক হতে পারে আপনার ব্যবসার প্রসারের দারুণ জায়গা।
- কিভাবে কাজ করে?
- ফেসবুক মার্কেটপ্লেস (Marketplace): এখানে আপনি ব্যক্তিগতভাবে পুরনো বা নতুন পণ্য বিক্রি করতে পারেন স্থানীয় ক্রেতাদের কাছে।
- ফেসবুক পেজ শপ (Facebook Shop): আপনার বিজনেস পেজের সাথে একটি শপ যুক্ত করে ক্যাটালগ তৈরি করতে পারেন এবং সরাসরি ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম থেকে পণ্য বিক্রি করতে পারেন।
- যোগ্যতা: মার্কেটপ্লেস ব্যবহারের জন্য ফেসবুকের নীতিমালা মানতে হবে। শপ তৈরির জন্য একটি ফেসবুক বিজনেস পেজ থাকতে হবে।
- টিপস: পণ্যের ভালো মানের ছবি ও বিস্তারিত বিবরণ দিন। ক্রেতাদের প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিন। সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করুন।
4. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
ফেসবুক পেজ বা গ্রুপকে কাজে লাগিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেও আয় করা সম্ভব। এখানে আপনি অন্য কোম্পানির পণ্য বা সেবার প্রচার করে বিক্রিতে সাহায্য করেন এবং প্রতিটি বিক্রির জন্য কমিশন পান।
- কিভাবে কাজ করে: আপনি বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে (যেমন: Amazon Associates, বা দেশীয় ই-কমার্স সাইটগুলোর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম) যোগ দেবেন। সেখান থেকে পণ্যের অ্যাফিলিয়েট লিংক নিয়ে আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করবেন। কেউ সেই লিংকে ক্লিক করে পণ্য কিনলে আপনি কমিশন পাবেন।
- যোগ্যতা: একটি সক্রিয় ফেসবুক পেজ বা গ্রুপ থাকতে হবে যেখানে যথেষ্ট ফলোয়ার বা মেম্বার আছে। ফেসবুকের স্প্যামিং সংক্রান্ত নীতিমালা মেনে লিংক শেয়ার করতে হবে।
- টিপস: আপনার পেজ বা গ্রুপের বিষয়বস্তুর সাথে প্রাসঙ্গিক পণ্যের প্রচার করুন। শুধু লিংক শেয়ার না করে পণ্যের সুবিধা বা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখুন। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করুন।
5. ফেসবুক স্টারস
আপনি যদি লাইভ ভিডিও করেন বা নিয়মিত ভিডিও কনটেন্ট বানান, তবে আপনার দর্শকরা 'স্টার' কিনে আপনাকে সাপোর্ট করতে পারে। এটি ফেসবুক থেকে সরাসরি আয়ের একটি উপায়।
- কিভাবে কাজ করে: দর্শকরা টাকা দিয়ে স্টার কিনে এবং আপনার লাইভ বা অন-ডিমান্ড ভিডিওতে সেই স্টার পাঠায়। প্রতিটি স্টারের জন্য ফেসবুক আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে (সাধারণত প্রতি স্টারের জন্য $0.01)।
- যোগ্যতা: পেজে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফলোয়ার (সাধারণত ৫০০ ফলোয়ার বিগত ৩০ দিনে) থাকতে হবে, মনিটাইজেশন নীতিমালা মানতে হবে এবং স্টারস ফিচারটি আপনার অঞ্চলে উপলব্ধ থাকতে হবে।
- টিপস: লাইভ সেশনে দর্শকদের স্টার পাঠানোর জন্য উৎসাহিত করুন। যারা স্টার পাঠায় তাদের নাম উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানান।
ফেসবুক নিঃসন্দেহে বর্তমান সময়ে অনলাইনে আয়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। উপরে আলোচিত ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়গুলো ছাড়াও ব্র্যান্ড কোলাবরেশন, পেইড গ্রুপ সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি আরও কিছু পদ্ধতি রয়েছে। আপনার দক্ষতা, আগ্রহ এবং সময় অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতিটি বেছে নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।
০২। YouTube থেকে ইনকাম

বর্তমান সময়ে ইউটিউব হচ্ছে অনলাইন ইনকাম এর সবচাইতে জনপ্রিয় মাধ্যম। এমনকি এখন আমাদের দেশের অনেক শিক্ষিত লোক চাকরি না করে ইউটিউবিং করে ঘরে বসে মাসে মাসে ৫/৬ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। আমাদের দেশের এমনও ইউটিউব চ্যানেল আছে যারা একা একা ইউটিউবে কাজ করে মাসে ২০ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ইনকা করছে।
ইউটিউব থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা ইনকাম করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভালো মানের টাকা অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। ভিডিও তৈরি করার জন্য আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন।
কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে, কিভাবে ইউটিউব ভিডিও এর ভিউ বাড়াবেন, কিভাবে ইউটিউব থেকে ইনকাম করবেন এবং আপনি ইউটিউবে কাজ করলে কত টাকা মাসে ইনকাম করতে পারবেন ইত্যাদি সম্পর্কে আমাদের ব্লগের বিস্তারিত পোস্ট রয়েছে। নিচের লিংক থেকে পোস্টগুলো পড়ে নিলে ইউটিউব সম্পর্কে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন—
আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলো আপনার মোবাইলের ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন ভিডিও টেউটরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। যারা গৃহিনী রয়েছেন তারা চাইলে বিভিন্ন রান্নার রেসিপি টিপস ও সাজগোজের করার ভিডিও তৈরি করে নিতে পারেন।
এখনকার মোবাইল ফোনে অনেক ভালোমানের ভিডিও রেকর্ডিং করা যায় বিধায় আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে ক্যামেরার সামনে বসে ভিডিও বানাতে পারেন অথবা ক্যামেরার সামনে আসতে না চাইলে মোবাইল দিয়ে স্ক্রিন ভিডিও রেকর্ড করে বিভিন্ন ধরনের টিউটরিয়াল ভিডিও তৈরি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।
০৩। ব্লগ থেকে ইনকাম
ব্লগিং হচ্ছে অনলাইন ইনকাম এর সবচাইতে জনপ্রিয় এবং কার্যকরী পদ্ধতি। আপনি একটি ব্লগ তৈরি করে ব্লগে ভালোমানের আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে ব্লগকে জনপ্রিয় করতে পারলে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আজীবন অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করবেন?
ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করার বিষয়ে আমাদের অনেকের মধ্যে ভূল ধারনা আছে। অধিকাংশ লোক মনে করে শুধুমাত্র ব্লগ তৈরি করলেই ব্লগ থেকে ডলার ইনকাম করা যায়। আসলে ব্লগ তৈরি করলে বা কারো ব্লগ থাকলেই সেই ব্লগ থেকে কোন ধরনের টাকা ইনকাম করা যায় না। ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য ব্লগে নিয়মিত ভালোমানের আর্টিকেল শেয়ার করার পাশাপাশি ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলার মাধ্যমে ব্লগে ভিজিটর নিয়ে আসতে হয়।
যখন আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক বা ভিজিটর থাকবে তখন আপনার ব্লগের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকামের পথ তৈরি হবে। সেই মুহুর্তে আপনার ব্লগকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন উপায়ে ভালোমানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগ থেকে কি পরিমান ইনকাম হবে সেটা আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তার উপর ডিপেন্ড করবে। অর্থাৎ আপনার ব্লগে যত বেশি ভিজিটর থাকবে আপনার ইনকাম তত বেশি হবে।
কিভাবে ব্লগ তৈরি করবেন?
ব্লগ তৈরি করার জন্য জনপ্রিয় দুটি প্লাটফর্ম আছে। একটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস আর অন্যটি হচ্ছে গুগল ব্লগার। এই দুটি প্লাটফর্মই একদম ফ্রি। তবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ তৈরি করার জন্য ডোমেন ও হোস্টিং কিনে ব্লগ তৈরি করতে হয়। অন্যদিকে গুগল ব্লগারে কোন ধরনের ডোমেন ও হোস্টিং না কিনে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগ তৈরি করা যায়।
আপনি চাইলে এই দুটি প্লাটফর্মের যে কোন একটিতে ব্লগ তৈরি করতে পারেন। একটি পার্সোন্যাল ব্লগের ক্ষেত্রে এই দুটি প্লাটফর্মের তেমন কোন পার্থক্য নেই। সুতরাং আপনি গুগল ব্লগারে সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন।
তাছাড়া গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করা খুব সহজ হওয়ায় আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে মাত্র ৫ মিনিটে নিজের একটি ব্লগ তৈরি করে নিতে পারেন। গুগল ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করার বিষয়ে আমাদের ব্লগে একটি বিস্তারিত পোস্ট রয়েছে। আপনার নিজের একটি ব্লগ তৈরি করার জন্য নিচের লিংক থেকে আমাদের ব্লগে পোস্ট দেখে নিতে পারেন।
তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যাবেন। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না।
আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন?
আমি আগেই বলেছি, ব্লগ তৈরি করে বসে থাকলেই ব্লগ থেকে ইনকাম হবে না। ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম করতে হলে প্রথমত ব্লগে নিয়মিত লিখতে হবে। অর্থাৎ মানুষ অনলাইনে সার্চ করে এমন বিষয়ে আপনার ব্লগে নিয়মিত লিখতে হবে। এ ক্ষেত্রে যে বিষয়ে আপনার ভালো অভীজ্ঞতা আছে সেই বিষয়ে আপনি ব্লগে লিখতে পারেন।
তবে অন্য কোন ব্লগের লেখা কপি করে কখনো আপনার ব্লগে লিখবেন না। কারণ অন্যের লেখা কপি করলে কখনো আপনার ব্লগ পড়তে লোকজন আসবে না। তাছাড়া কপি করা পোস্ট গুগল সার্চ রেজল্টের পাতায় গুগল শো করে না বিধায় গুগল থেকে কপি করা পোস্ট দিয়ে আপনি কখনো ট্রাফিক পাবেন না।
শুধু শুধু অনলাইনে ইনকাম করার লোভে পড়ে অন্যের লেখা কপি না করে নিজে যে বিষয়ে ভালোভাবে জানেন এবং বুঝেন সেই বিষয়ে লেখার চেষ্টা করেন। শুরুর দিকে খুব একটা ভালো লিখতে না পারলেও কিছু দিন লেখার অভ্যাস করলে এক সময় আপনিও ভালো ভালো আর্টিকেল লিখতে পারবেন। যখন ব্লগে অন্যদের চাইতে ভালো কিছু লিখতে পারবেন তখন মানুষ আপনার লেখা পড়তে আসবে। আর যখন লোকজন আপনার পোস্ট পড়বে তখন শুরু হবে অনলাইনে ইনকাম এর খেলা।
কিভাবে ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করবেন?
ব্লগের ভিজিটর বৃদ্ধির প্রধান উপায় হচ্ছে ব্লগে নিয়মিত ভালোমানের ইউনিক আর্টিকেল শেয়ার করা। সেই সাথে কনটেন্ট লেখার সময় অন পেজ এসইও সঠিকভাবে মেনটেইন করে পোস্ট লেখা। তারপর পোস্ট করার পর সেই পোস্ট বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা। বিশেষ করে নতুন ব্লগ পোস্ট অবশ্যই ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্ট্রাগ্রামে শেয়ার করবেন। তাহলে লোকজন আপনার ব্লগ সম্পর্কে জানতে পারবে।
তাছাড়া একটি ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য অন পেজ এসইও ছাড়াও অফ পেজ এসইও করতে হয়। বিশেষকরে ব্যাংলিংক তৈরি করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিনে পোস্ট র্যাংক করার মাধ্যমে সহজ গুগল থেকে ভিজিটর ব্লগে পাওয়া সম্ভব হয়।
ব্লগিং করে ইনকাম করার উপায় কি কি?
ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম করার অসংখ্য অসংখ্য উপায় রয়েছে। অনলাইন ইনকাম এর যত মাধ্যম রয়ছে তাদের মধ্যে ব্লগিং হচ্ছে সেরা। কারণ একটি ব্লগ জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে অনলাইন থেকে বিভিন্ন উপায়ে ভালোমানের টাকা ইনকাম করা যায়। ব্লগের মাধ্যমে অলাইন ইনকামের জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো হচ্ছে—
- গুগল এডসেন্স
- এফিলিয়েট মার্কেটিং
- স্পনসর পোস্ট
- অনলাইন কোর্স
- ব্লগ বিক্রি
1. এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম
এডসেন্স হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ স্বয়ং নিজে পরিচালনা করছে। সাধারণত যে কোন বড় কোম্পানি তাদের পন্যের প্রচার করার জন্য টেলিভিশনে এবং খবরের কাগজে তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। তখন আমাদের মত সাধারণ মানুষ টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখে বা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দেখে সেই কোম্পানির পন্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।
ঠিক একইভাবে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন অনলাইনের মাধ্যমে প্রচারের জন্য কোম্পানির পন্যের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গুগলের কাছে জমা দেয়। গুগল তখন এডসেন্স এর মাধ্যমে সেই বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের মত সাধারণ ব্লগে ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। আর আমাদের ব্লগে সেই বিজ্ঞাপনে যখন লোকজন ক্লিক করে তখন আমাদের ইনকাম হয়।
কিভাবে এডসেন্স পাবেন?
আপনার ব্লগে যখন পর্যাপ্ত ভিজিটর থাকবে তখন জিমেইল আইডি ব্যবহার করে আপনার ব্লগের মাধ্যমে এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করার পর গুগল আপনার ব্লগ যাচাই বাছাই করে দেখবে। আপনার ব্লগে ভালোমানের কনটেন্ট থাকার পাশাপাশি ব্লগে পর্যাপ্ত ভিজিটর থাকলে গুগল আপনার এডসেন্স অনুমোদন করবে।
তখন আপনি ব্লগের বিভিন্ন জায়গাতে গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন বসাতে পারবেন। যখন আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন শো হবে এবং মানুষজন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন আপনার এডসেন্স একাউন্টে ডলার জমা হতে থাকবে।
আপনার ব্লগে যত বেশি ভিজিটর থাকবে আপনার ইনকাম তত বেশি হবে। তবে বেশি ইনকাম করার আশায় কখনো নিজের বিজ্ঞানে নিজে ক্লিক করবেন না। নিজের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করলে আপনার এডসেন্স একাউন্ট যেকোন সময় স্থায়িভাবে গুগল বন্ধ করে দিবে।
কিভাবে এডসেন্স এর টাকা হতে পাবেন?
আপনার ব্লগের মাধ্যমে এডসেন্স হতে ইনকাম এর টাকা হাতে পাওয়ার জন্য আপনার একাউন্ট ১০ ডলার জমা হতে হবে। আপনার একাউন্টে ১০ ডলার জমা হওয়ার পর গুগল আপনার ঠিকানা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠাবে। সেই চিঠিতে একটি গোপন কোড থাকবে এবং কোডটি আপনার এডসেন্স একাউন্টে ব্যবহার করতে হবে।
তারপর আপনার এডসেন্স একাউন্টে যখন ১০০ ডলার জমা হবে তখন গুগল সেই টাকা প্রতি মাসের ২১ তারিখে আপনার ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দিবে। এভাবে আপনার ব্লগে যত বেশি ভিজিটর থাকবে প্রতি মাসে ব্লগ থেকে তত বেশি টাকা অনলাইনে ইনকাম হবে।
2. এফিলিয়েট মার্কেটিং
অনলাইনে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে কমিশন পাওয়ার মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়। আপনি যদি অনলাইনে বেশি টাকা ইনকাম করতে চান এবং যদি পরিশ্রমী আর ধৈর্য্যশীল মানুষ হন, তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?
বর্তমানে অনলাইনে অনেক বড় বড় শপিং মল রয়েছে। যেমন- এমাজন এফিলিয়েট, আলিবাবা ও ফ্লিপকার্ট। আমাদের দেশের জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট হচ্ছে Daraz ও Evaly. এ ধরনের শপিং মল গুলো তাদের প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রচারনা চালায়।
এ ক্ষেত্রে আপনার ঐ সমস্ত শপিং মলের সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে তাদের পন্যের লিংক আপনার ব্লগে শেয়ার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পন্যের লিংক শেয়ার করার পূর্বে কাঙ্খিত প্রোডাক্ট এর ভালো দিকগুলো তুলে ধরে একটি আর্টিকেল লিখতে পারেন। তখন পন্য সম্পর্কে ভিজিটররা পোস্টটি পড়ার সময় আপনার শেয়ার করা লিংকে ক্লিক করে ঐ অনলাইন শপিং মল থেকে পন্য কিনলে সেই পন্যের দাম হতে কিছুটা কমিশন আপনাকে দেওয়া হবে।
মূলত এভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলানে ইনকাম করা হয়। উন্নত দেশের পাশাপাশি বর্তমানে আমাদের দেশের মানুষও এখন বেশি পরিমানে অনলাইন শপিং করছে। মোবাইল ব্যাংকিং চালু হওয়ার কারনে আমাদের দেশের অনলাইন মার্কেটিং বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারনে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকাম করার সুযোগ বেড়েছে। এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ব্লগের এফিলিয়েট মার্কেটিং সংক্রান্ত পোস্ট পড়তে পারেন।
3. স্পনসর পোস্ট
আপনার ব্লগ যখন জনপ্রিয় হতে থাকবে তখন লোকজন তাদের পন্যের ভালো দিক গুলো তুলে ধরার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। সাধারণত এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডিজিটাইল প্রোডাক্ট সম্পর্কে তুলে ধরে একটি বিস্তারিত পোস্ট লিখতে হয়। আপনার ব্লগ জনপ্রিয় হওয়ার কারনে লোকজন আপনার ব্লগের মাধ্যমে অন্যের প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবে। বিনিময়ে আপনি ঐ কোম্পানির নিকট থেকে ভালোমানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
সাধারণত একটি ব্লগ যত বেশি জনপ্রিয় হয় সেই ব্লগের স্পনসরশীপ রেট তত বেশি হয়। আপনি যদি একজন ভালোমানের লেখক হন এবং আপনার ব্লগের প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে একটি স্পনসর পোস্ট থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন।
4. অনলাইন কোর্স
কোভিড-১৯ মাহামারির পর থেকে আমাদের দেশের লেখাপড়া অনেকাংশে এখন অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে। তা না হলে হয়ত আমরা অনলাইন কোর্স বিষয়টি সহজে বুঝতে পারতাম না। এখন আমাদের দেশের প্রাইমারি স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া পর্যন্ত অনলাইনে চলছে।
এখানে অনলাইন কোর্স বলতে বিভিন্ন ধরনের কোর্স বুঝানো হচ্ছে। আপনার যে বিষয়ে অভীজ্ঞতা আছে আপনি চাইলে সেই বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কোর্স চালু করে সেটা PDF আকারে আপনার ব্লগে শেয়ার করে বিক্রি করতে পারেন।
তাছাড়াও আপনার ভালোমানের কোন লেখা ব্লগে শেয়ার করে সেটি লক করে রাখতে পারেন। অর্থাৎ আপনার কোর্সের কিছু অংশ লোকজনকে পড়তে দিবেন এবং অবশিষ্ট অংশ লক করে রাখবেন। এতেকের লোকজন আপনার কোর্স পছন্দ করলে লক করা অংশটুকো টাকার বিনিময়ে ক্রয় করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনার যত ভালোমানের কোর্স থাকবে আপনি তত বেশি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।
5. ব্লগ বিক্রি করে ইনকাম
আপনি যদি একটি ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করতে পারেন তাহলে সেই ব্লগ বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কারণ একটি জনপ্রিয় ব্লগের চাহিদা অনলাইনে প্রচুর পরিমানে রয়েছে। তবে আপনার ব্লগের মূল্য কত টাকা হবে সেটা আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তার উপর ডিপেন্ড করবে। সাধারণত একটি ব্লগ বিক্রি করে নরমালি ৩/৪ লক্ষ টাকা ইনকাম করা যায়। আর যদি প্রচুর জনপ্রিয় ব্লগ হয় তাহলে কয়েক মিলিয়ন ইনকাম করা সম্ভব।
০৩। ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। ফ্রিল্যান্সিং করে বর্তমানে বাংলাদেশের হাজার হাজার লোক ঘরে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করছে। তাছাড়া বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কাজে লাগানোর জন্য ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর ব্যবস্থা চালু করেছে। অনেকে সেই সমস্ত সরকারী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে Freelancing এর মাধ্যমে মাসে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ইনকাম করে স্বাবলম্বি হচ্ছে।
Freelancing হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আপনি আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে সে বিষয়ে ভালোমানের আর্টিকেল লিখে Freelancing এর কাজ করতে পারবেন। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা ইনকামের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিংয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু আরো বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রচুর পরিমানে ডিমান্ড রয়েছে। এক কথায় আপনার যদি কোন কাজের অভীজ্ঞতা থাকে তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা কোন ব্যাপার হবে না।
০৪। গ্রাফিক্স ডিজাইন

অনলাইনে গ্রাফিকস ডিজাইনের চাহিদা প্রচুর পরিমানে রয়েছে। অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন একটি ভালো উপায়। যারা এই কাজে দক্ষ, তারা বিভিন্ন ডিজাইন বিষিয়ক অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে তাদের নিজেস্ব ডিজাইন দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাদের ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের পছন্দ হলে কিনে নেয়।
তাছাড়াও বর্তমানে ফ্রিল্যান্স মার্কেটে গ্রাফিক্স ডিজাইনের ডিমান্ড প্রচুর পরিমানে থাকার কারনে এ বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করা সম্ভব হয়। বিশেষকরে Fiver ও Upwork ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ বেশি পরিমানে পাওয়া যায়। কাজেই গ্রাফিক্স ডিজাইন জানলে ফ্রিল্যান্সিং করে সহজে অনলাইনে ইনকাম করা সম্ভব হবে।
এছাড়া গ্রাফিক্স ডিজাইনের বিশেষত্ব হচ্ছে, এ ধরনের একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি যায়। অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজটি আপনি প্রাথমিকভাবে এডোবি ফটোশপ থেকে শুরু করতে পারেন।
০৫। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বড় একটি অংশ হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে এক দিকে যেমন বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পন্যের প্রচার ও সেল বিক্রি করে ইনকাম করছে, অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে যারা ভালো অভীজ্ঞতা সম্পন্ন তারা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানির নিকট থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।
জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি সহজে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ৩-৫ টি ফেসবুক পেজে প্রচুর পরিমানে ফলোয়ার থাকলে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন কোম্পানির নিকট থেকে ফেসবুকে টাকা আয় করতে পারবেন।
কারণ যেকোন কোম্পানির পন্যের প্রচারের জন্য এখন ফেসবুক ও টুইটার খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে আপনার জনপ্রিয় কোন সোশ্যাল মিডিয়া থাকলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন কোম্পানি আপনার সাথে যোগাযোগ করবেই। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি।
তাছাড়া বর্তমানে ফেসবুকে পন্যের পেইড প্রমোশন করার সিস্টেম থাকায় অল্প টাকা খরছ করে ফেসবুকে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার যদি কোন ছোট খাটো ব্যবসা থাকে তাহলে ফেসবুকে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে পন্যের বিক্রি বাড়িয়ে ইনকাম করতে পারেন।
৬। ই-কমার্স সাইট থেকে ইনকাম
টেকনোলজি উন্নতি সাধনের সাথে সাথে মানুষ দিন দিন খুব অনলাইন কেনা কাটার প্রতি নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ই-কমার্স সাইট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমানে ব্যবসা সফল হচ্ছে। আপনি চাইলে নিজেই অথবা বন্ধু বান্ধব মিলে শুরু করতে পারেন নিজেদের ই-কমার্স সাইট। বর্তমানে ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে ইনকাম করার প্রবনতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ই-কমার্স সাইট করে সফল হতে হলে আপনাকে কিছু ট্রিক্স অবলম্বন করতে হবে। আপনার আসে পাশের সেই পন্য গুলো নিয়ে কাজ করুন যে গুলো এখনো অনলাইনে সচরচর পাওয়া যায় না। মানুষের দোরগোড়ায় ভাল মানের পন্য পৌঁছে দিন প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কেটের তুলনায় কিছুটা কম মূল্যে। বিশ্বাস করুন আপনি যত টা কঠিন ভাবছেন এটা করা তার থেকে অনেক সহজ শুধু আপনাকে শুরু করতে হবে এবং ধর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে।
৭। এসইও করে ইনকাম
বর্তমানে অনলাইনে মিলিয়ন মিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে। সবাই তাদের ব্লগকে গুগল সার্চের ১ম পাতায় নিয়ে আসার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু একই ধরনের ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে গুগলের ১ম পাতায় আসা খুব সহজ কোন বিষয় নয়। এ জন্য এখন সবাই এসইও করার জন্য মনোযোগি হচ্ছে। যার ধরুন প্রতিনিয়ত এসইও এক্সপার্টদের চাহিদা বাড়ছে।
ধরুন, আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে। যেই ওয়েবসাইটে আপনি টি-শার্ট এর মার্কেটিং করেন। আপনি চাইছেন কেউ যখন টি-শার্ট লিখে গুগলে সার্চ করবে তখন আপনার ওয়েবসাইটটি সবার উপরে আসবে। এই কাজটি করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করতে হবে বিধায় একজন এসইও এক্সপার্ট এর সহযোগিতা নিতে হবে।
কাজেই কেউ যদি ভালোভাবে এসইও শিখতে পারে তাহলে সে যেকোন কোম্পানির এসইও এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবে। তাছাড়া আপনার যদি পার্সনাল কোন ব্লগ থাকে সেটিতেও ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য ব্লগের এসইও করার প্রয়োজন হবে। সেই হিসেবে আপনি ভালোভাবে এসইও জানলে ব্লগে ট্রাফিক বৃদ্ধি করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।
৮। অনলাইনে ছবি বিক্রি করে ইনকাম
ছবি তোলার অভ্যাস থাকলে কিংবা আপনি একজন ভালোমানের ফটোগ্রাফার হলে অনলাইনে ছবি বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি আশে-পাশের প্রকৃতি, স্থান, মানুষ, জিনিস, খাবার, সহ যে কোন কিছুর ভাল ছবি তুলে সেগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।
শাট্টারস্টক, ফোটোলিয়া, আইস্টকফটো, ফটোবিককেটের মত বড় বড় সাইটগুলি রয়েছে যেখানে আপনি আপনার তোলা ফটো জমা দিতে পারেন। যখনই কোনও গ্রাহক আপনার তোলা কোন ছবি কিনবে, আপনি আপনার ছবির নির্দিষ্ট মূল্য পেয়ে যাবেন। অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করার বিষয়েও আমাদের ব্লগে একটি বিস্তারিত পোস্ট রয়েছে।
৯। এন্ড্রয়েড এপস থেকে ইনকাম
একটি ব্লগের মত এন্ড্রয়েড এপস দিয়ে অনেক ভালোমানের টাকা ইনকাম করা যায়। এ ক্ষেত্রে আপনার নিজেস্ব একটি এন্ড্রয়েড এপস থাকতে হবে এবং সেটি গুগল প্লে-স্টোরে থাকতে হবে। আপনার এন্ড্রয়েড এপটি যদি প্রচুর পরিমানে লোকজন ব্যবহার করে তাহলে আপনি এপস মনিটাইজ করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।
সাধারণত আপনি দেখে থাকেন যে, আমাদের মোবাইলে যখন ইন্টারনেট কানেকশন অন থাকে তখন কোন এপস চালু করার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন শো হতে থাকে। এই বিজ্ঞাপন থেকে মূলত একজন এপস এর মালিক ইনকাম করে থাকে।
আপনার ভালোমানের কোন এন্ড্রয়েড এপস থাকলে গুগল AdMob এর জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগল আপনার এডমুভ একাউন্ট অনুমোদন করলে তখন আপনি আপনার এন্ড্রয়েড এপস এর মধ্যে গুগল এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারবেন। সেই বিজ্ঞাপন যত বেশি মানুষ দেখবে আপনার ইনকাম তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।
তাছাড়া এন্ড্রয়েড এপস দিয়ে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায়। আপনার একটি এন্ড্রয়েড এপস থাকলে Facebook Audience Network এর মাধ্যমে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন আপনার এন্ড্রয়েড এপসে ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে ভালোমানের টাকা ইনকাম করে নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রেও আপনার এন্ড্রয়েড এপটি গুগল প্লে-স্টোরে থাকতে হবে।
১০। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ইনকাম
আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন।
আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলোতে জয়েন করার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করা হবে। তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা আয় করতে হবে।
১১। EBAY and AMAZON এ Products বিক্রি
আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয়, তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভালোমানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভালো দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।
১২। ডাটা এন্ট্রি
অনলাইনে সহজ কাজগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তারা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তারা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।
শেষ কথা
আশা করি, এই বিস্তারিত আলোচনা থেকে আপনি অনলাইনে ইনকাম করার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। আমরা দেখেছি, ফ্রিল্যান্সিং, ব্লগিং, ইউটিউব, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-কমার্স সহ অসংখ্য পদ্ধতিতে ইন্টারনেট থেকে আয় করা সম্ভব। প্রতিটি পথের নিজস্ব চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা রয়েছে।
মনে রাখবেন, অনলাইনে আয় করা রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, শেখার আগ্রহ, লেগে থাকা এবং সঠিক পথে পরিশ্রম করা। আপনার আগ্রহ এবং দক্ষতার সাথে মেলে এমন এক বা একাধিক উপায় বেছে নিন, সে বিষয়ে ভালোভাবে জানুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ শুরু করুন।
অনলাইনে ইনকাম করার উপায় অনেক থাকলেও, আপনার সাফল্য নির্ভর করবে আপনার প্রচেষ্টা এবং কৌশলের উপর। আশা করি এই ব্লগ পোস্টটি আপনার পথচলার সহায়ক হবে। আপনার অনলাইন আয়ের যাত্রা সফল হোক!
ভাই আমি freelancing করতে আগরহী কি্নতু কিভাবে শুরু কবো বুঝতে পরছিনা
আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমার মোবাইল নাম্বার ০১৭১৮৭৬৪০২১
কেমন আছ?আশা করি ভাল! আমার কাছে আউট সোছিং এর একটা কাজ আছে, আমি নিজেই করছি।টাচ ফোন দিয়ে করা যায় খুব সহজে। প্রতিদিন ৪০ টাকা করে। যোগাযোগ :01787893443
Lemon vai ami ata korte chai, Amake ki ki korte hobe??
i would like to freelancing
অসাধারণ পোষ্ট, খুব ভালো লেগেছে আমি কাজ শুরু করে দিয়েছি। এটা আমার ওয়েব ছাইট ঘুরে আসতে পারেন
www.banglakobitazx.blogspot.com
Thanks Bro...
আমি অনলাইনে কাজ করতে ইচ্ছুক আমাকে কি কোনো কাজ দেওয়া যাবে
আমার অনলাইনে
আমি এখানে কাজ করতে চাই আমাকে আপানাদের কোনো সাইডে নিবেন প্লিয
আমারা কোন সার্ভিস প্রোভাইড করি না।
ধন্যবাদ...
আমার site
nice
Thank you
এরকম একটি শিক্ষানিও পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাত।
Welcome and Stay us
আমি ফ্রিলেন্সার হতে চাই শুরু করব কেমনে?
ফ্রি ল্যান্সার নিয়ে আপাতত আমরা কিছু লিখছি না। তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই লিখব।
বেকারত্ব দূর করার জন্য আপনার ওয়েবসাইট খুবই দরকারি । অনলাইন আয়ের জন্য এই earnmores24.blogspot.com সাইটে ভিজিট করতে পারেন
Thanks to your valuable feedback.
আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই গ্রাফিক্স-ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ধারনা আছে একটু গাইড দরকার দেবেন কী ?
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমরা আপাতত কিছু লিখছি না। তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে লিখার পরিকল্পনা আছে।
আপনি উপরোক্ত বিষয়গুলি যদি ভালভাবে জানেন বা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হন, তাহলে অন-লাইনে ব্লগিং করে এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ব্লগের পোষ্টগুলি দেখতে পারেন। ধন্যবাদ..
অনলাইনে ইনকাম করতে চান একটু ঘুরে আসুন এ টা খুব ভালো মানের সাইড একটু দেখেন ইনকাম হবেই১০০%
ptc সাইড খুবই নির্ভর যোগ্য।
https://moneyonline-earnbd.blogspot.com/
what kind of bank account is needed for Youtube money receive.
Western Union এর Signboard সম্বলিত যে কোন ব্যাংকে Money Withdraw করতে পারবেন।
আমার একটা সাইটে অনেক ডলার জমা আছে কিন্তু ডলার ভাঙ্গাতে পারছিনা, সে খেত্রে জদি একটু সাহায্য করেন, তাহলে খুব উপকার হত ৷
যাদের Paypal Account আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের সাহায্যে আপনার টাকাগুলি Withdraw করতে পারবেন।
ভাই যেহেতু আপনার অনেক ডলার জমা আছে তাই visite
http://earnmoneyadstimer.blogspot.com
ভাই কিভাবে আর্ন করলেন একটু বলবেন প্লিজ,,,,
ব্লগিং করে বিভিন্ন উপায় অনলাইন থেকে আয় করা যায়। আপনি আমার ব্লগের অন্যান্য পোস্ট পড়ুন, বিস্তারিত জানতে পারবেন।
Facebook চালার পাশাপাশি মোবাইল বা কম্পিউটার ইনকাম করলে কেমন হয় বন্ধরা? আমরা অনেকে আছি যারা অনলাইনে ইনকাম করতে চাই কিন্তু ভালো site না পাওয়ার কারনে ইনকাম করতে পারতেছিনা।
তাই তোমাদের জন্য ভালো দুইটা site নিয়ে এলাম । প্রতি দিন ১০ -১০০$ ইনকাম করতে পারবে। বাংলাদেশের অনেকেই কাজ করতেছে ।
কিভাবে টাকা হাতে পাবেন সবকিছু দেওয়া আছে।
http://earnmoneyadstimer.blogspot.com/
ধন্যবাদ ভাই।
আমি করতে চাই ভাইয়া কিন্তু তেমন কোনো বিশ্বস্ত কাউকে পাচ্ছি না সবই ভুয়া যদি আপনার এমন কাজ দিয়ে থাকেন তাহলে প্লিজ আমার সাথে যোগাযোগ করবেন 01961607283
দুঃখিত, আমরা কোন ধরনের কাজের অফার করি না। আমাদের পাঠকদের আয়ের উপায় বলা দেওয়াটা হচ্ছে আমাদের ব্লরে কাজ।
তবে অনলাইনে অনেক প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে কাজ করে আপনি মাসে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনার কাজের অভীজ্ঞতা থাকলে, নিজে নিজে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।
ধন্যবাদ...
ভালোই লাগল পড়তে কিন্তু
এর মধ্যে যদি নিয়মটা দিতেন
অনেক ভালো হতো,,,,,,,।
আমাদের ব্লগের অন্য পোষ্টগুলিতে আয় করার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে লিখা আছে। ঐ গুলি পড়ুন তাহলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
অন্য পোষ্টগুলি পাবো কোথায়?
কিছু পোষ্ট আামদের ব্লগেই রয়েছে এবং অবশিষ্টগুলি ভবিষ্যতে পেয়ে যাবেন।
আমি প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে আয় এই সাটটিতে যেতে চাই এই বিষয়ে আমারকে একটু সাহাজ্য দরকার।
অন-লাইনে খোজেন, এ রকম অনেক সাইটই পেয়ে যাবেন।
ভাই ব্লগার সাইটে পোস্ট করার সময় html কোড কিভাবে দিবো? আপনার সাইটে সুন্দর ভাবে দেওয়া থাকে কোডগুলো৷ এরকম করে কিভাবে দিবো?
আমাদের ব্লগের এই পোষ্টটি দেখুন, তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
আমাকে সাহায্য করবেন আমার নাম জনি আমি সন্দ্বীপ থাকি আমি একজন ছাত্র আমার একটা blog আছে আমি কিছু টিউন করেছি কিন্তুু আমার blog টাকে ডিজাইন করতে পারিনাই সুন্দর করে আমাকে সাহায্য করবেন আমি আপনার ছোট ভাইএর মত আমি অনলাইনে কিছু টাকা কামিয়ে আমার পড়ার খরছ চালাতে ছাই কি আমাকে সাহায্য করবেন।
ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে আপনার যদি কোন ধারনা না থাকে, তাহলে আমাদের যে কোন ফ্রি টেমপ্লেট ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে ব্লগের ডিজাইন নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। ধন্যবাদ...
Are you interested about Earning from craigslist
And from today....So this is for you
https://www.youtube.com/channel/UC5nEGKuonXL7AdYwpzrv7cQ
আমি ক্লাস টেনের একজন ছাত্র। আমি আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয় করতে আগ্রহী। কিন্তু আমি এসম্পর্কে কিছুই জানি না। আমাকে যদি একটু হেল্প করতেন তাহলে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ থাকবো।
Follow our blog posts, then you can know all everything.
Nice post, very help full for us.
"""""""""Need help""""""""""
Bro amar personal site http://incomehelpbd.ga te ki bave beshi beshi visitors pavo???????
Proper SEO করতে হবে। বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ব্লগের এসইও সংক্রান্ত পোস্টগুলি দেখতে পারেন।
অনলাইনে আয় করতে হলে আগে কাজ শিখতে হবে, tutorial দেখে আপনি কাজ শিখতে পারেন, আব্দুল কাদের ভাইয়ের সব ডিভিডি ফ্রী নিতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন,,,
বিস্তারিত- http://it-bari-tutorial.blogspot.com
Thank you
ভাই আমি YouTube কাজ করতে ছাই, জদি আপ্নি আমাকে Help করতেন ছোটো ভাই মনেকরে। Account কিভাবে খুলবো জদি Help করেন। অথবা আপ্নার Numbar টাদিতেন plz...
নমস্কার দাদা আমি একজন ভারতীয় আমার নাম উজ্জ্বল দাদা আমি ইউটিউবে কাজ করতে চাই এজন্য আমি আপনার কাছ থেকে কিছু সাহায্য চাইছি soo brother please help me....!!!!!!
আপনার সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে আমরা আপনার সমস্যার সমাধান দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করব। ধন্যবাদ...
ভাই কাজ করতে চাই। কিন্তু কাজ দেয়ার মানুষ নাই।
কাজের অভীজ্ঞতা থাকলে কাজ আপনাকে ডেকে নেবে। আপনাকে কাজের পিছনে ঘুরতে হবে না।
ভাই আমি ব্লগারে আলাদা আলাদা তালিকা (মেনু) করতে পারিনা কেন? আমি চাই এরকম যেমনঃ কম্পিউটার টিপ্স। ফেসবুকসবুক টিস্প। ইত্যাদি ইত্যাদি প্লীজ সাহায্য করুন, ,
আমাদের ব্লগে এ ধরনের 2-3 টি পোস্ট রয়েছে। ভালভাবে খোঁজলে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ
Enter your comment...bujte pari nai bujia bolben plz
আমার ব্লগের পোস্টগুলি মনোযোগ সহকারে পড়েন, তাহলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
লিখাটা পড়ে সত্যিই অনেক উপকৃত হলাম।
Thanks and stay us...
খুব ভালো লিখছেন কিন্তু আমি কিছুই পারিনা
আমার ব্লগে পোস্টগুলি পড়েন। সবগুলি বাংলা ভাষায় লিখা রয়েছে। মনোযোগ সহকারে পড়লে বুঝতে কোন সমস্যা হবে না।
ভাই টাকা আয় এর জন্য কি gmail এ ডেবিট কার্ড অ্যাড করতে হবে?
এ ধরনের কোন কিছুর প্রয়োজন হয় না
very helpful post
আমি আউটসোসিং এর কাজ শিখতে চাই এ সম্পর্কে সাহায্য পেতে পারি
Stay us
Amake d a kisu hobe na
হতাশ না হয়ে চেষ্টা করে যান...
আপনি কি অনলাইন থেকে সিরিয়াস ইনকাম করতে চান , তাহলে একটু সময় নষ্ট করে এই ১০টি নিয়ম ফলো করুন ।
http://www.tube-book.com/2017/10/blog-post_71.html
ধন্যবাদ ভাই, চালিয়ে যান।
খুব ভালো লিখেছেন । আশা করি আপনার থেকে এমন লিখা আরো পাবো, যা আমাদের অনেক উপকারে আসবে ।
আমাদের সাথে থাকুন...
আপনি একটি কিডনি কিনতে চান বা আপনি আপনার বিক্রি করতে চান
¿কিডনি? এটা আপনি
আপনার কিডনি বিক্রি করার সুযোগ খুঁজছে অর্থের জন্য
আর্থিক ভাঙ্গন এবং আপনি কি করতে হবে জানি না
তাহলে, আজ আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমরা আপনাকে ভাল অফার করব
আপনার কিডনি জন্য অর্থের পরিমাণ আমার নাম ডক্টর উমার
আমি UMAR ক্লিনিক একটি নেফ্রোলজিক্স করছি আমাদের ক্লিনিক হয়
রেনাল সার্জারি বিশেষ এবং আমরা এছাড়াও চিকিত্সা
কিডনি ক্রয় এবং ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন সঙ্গে সঙ্গে
অনুরূপ দাতা
আমরা ভারত, তুরস্ক, নাইজেরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, দুবাই, কুয়েতে অবস্থিত
যদি আপনি কিডনি বিক্রি বা কিনতে আগ্রহী হন দয়া করে না
ইমেল মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না
ইমেল: doctorumarclinic@gmail.com
অনন্যচিত্তে
ডিআর উমার
খুব সুন্দর লিখেছেন।
এরকম আরো লিখা চাই
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...
nice post ,,,,
http://bikroykori.com
thanks for sharing ,,,
https://haquemultimedia.com
অনেক সুন্দর একটি পোষ্ট। আপনি সঠিক ভাবে আয় করতে চাইলে www.bdhelpnet.com এই ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।
ধন্যবাদ, সাথে থাকুন।
এটা আমার সম্পর্কে সত্যিকারের জীবন কাহিনী এবং নারায়ণ হাসপাতালে ড। রাজ, যে আমি আমার কিডনিকে অর্থের জন্য দিয়েছিলাম এবং ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্মের কয়েকদিন আগেই আমাকে প্রায় 190,000,00 ইউএসডি পরিমাণ অর্থ দিয়েছিল, আমি খুব বেশি ব্যবহার করতাম দরিদ্র এবং আমি এটা আমার জন্য কঠিন খুঁজে পায়, আমি একটি সাক্ষ্য জুড়ে এসেছিলেন কিভাবে ডক্টর রাজ তার কিডনি এক কেইন Sean দ্বারা প্রচুর পরিমাণে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে যারা বলেন যে আগ্রহী
এটি একটি ট্রায়াল দিতে হবে এবং সাক্ষ্য দিতে ফিরে আসি, আমি ইমেল (nayayanahealthcare.in@gmail.com) হিসাবে অনুলিপি করলাম এবং তিন ঘণ্টারও কম সময়ে তাকে ইমেল করেছিলাম, ডাক্তারের কাছ থেকে উত্তর পেয়েছিলাম এবং আমরা দরখাস্ত করেছি এবং আমি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম সব প্রয়োজনীয় চুক্তি, আমি আমাদের উভয় দ্বারা সম্মত হিসাবে দেওয়া হয়েছে এবং একটি তারিখ অপারেশন জন্য গৃহীত এবং কোন সমস্যা ছাড়া রোগী সংরক্ষণ করতে আমার উপর পরিচালিত এবং আমি আমার ব্যালেন্স অর্থ পেয়েছিলাম, আমি এখন আর্থিকভাবে স্থির am এবং দৃঢ়, দয়া করে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না (narayanahealthcare.in@gmail.co…
osthir bro.
Thanks
এটি আমার সম্পর্কে সত্যিকারের জীবন কাহিনী এবং নারায়ণ হাসপাতালে ড। রাজ, যিনি আমার এক কিডনিকে অর্থের জন্য দিয়েছেন এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট হওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি আমাকে কিছু (২90,000 মার্কিন ডলার ডলার) অর্থ প্রদান করেছিলেন, আমি খুব দরিদ্র ছিলাম এবং আমি এটা খাইতে পারলাম না, আমি একটি সাক্ষ্য জুড়ে এসেছিলাম যে, কীভাবে ডাক্তার রাজ তার কিডনিকে এক কেইন শেন দ্বারা প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন, যিনি আগ্রহী ব্যক্তিদের বলেছিলেন।
এটি একটি ট্রায়াল দিতে হবে এবং সাক্ষ্য দিতে ফিরে আসি, আমি ইমেল (nayayanahealthcare.in@gmail.com) হিসাবে অনুলিপি করলাম এবং তিন ঘণ্টারও কম সময়ে তাকে ইমেল করেছিলাম, ডাক্তারের কাছ থেকে উত্তর পেয়েছিলাম এবং আমরা দরখাস্ত করেছি এবং আমি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম সব প্রয়োজনীয় চুক্তি, আমি আমাদের উভয় দ্বারা সম্মত হিসাবে দেওয়া হয়েছে এবং একটি তারিখ অপারেশন জন্য গৃহীত এবং কোন সমস্যা ছাড়া রোগী সংরক্ষণ করতে আমার উপর পরিচালিত এবং আমি আমার ব্যালেন্স অর্থ পেয়েছিলাম, আমি এখন আর্থিকভাবে স্থির am এবং দৃঢ়, দয়া করে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না (narayanahealthcare.in@g…
আমি কি ভাবে
উপকৃত হলাম
ধন্যবাদ...
আপনি $ 800,000USD জন্য আপনার কিডনি বিক্রি করতে চান? আপনি
অর্থের জন্য আপনার কিডনি বিক্রি করার সুযোগ খুঁজছেন
আর্থিক ভাঙ্গন কারণে এবং আপনি কি করতে হবে তা জানেন না
তারপর, আমাদের সাথে আজ যোগাযোগ করুন এবং আমরা আপনাকে ভাল অফার করবে
আপনার কিডনি জন্য অর্থ পরিমাণ। আমার নাম ডাক্তার রাশান
আমি রাক্ষসান হেলথ সেন্টারে আমাদের ক্লিনিকে একজন নেফ্রোলজিস্ট
Renal সার্জারি বিশেষ এবং আমরা চিকিত্সা
সঙ্গে কিডনি ক্রয় এবং প্রতিস্থাপন
সংশ্লিষ্ট দাতা
আমরা ভারত, তুরস্ক, ফ্রান্স, নাইজেরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, দুবাই, কুয়েতে অবস্থিত
আপনি যদি কিডনি বিক্রি বা ক্রয় করতে আগ্রহী হন তবে দয়া করে ইমেলের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না: RAKSHANHTHALCENTER@GMAIL.COM
গ্রিটিংস
ডিআর রাখশান
আমার সম্পর্কে সত্যিকারের জীবন গল্প মিস নারায়ণ হাসপাতালে মিস মারিয়া প্যাট্রিকিয়াল এবং ডাঃরাজ, যিনি আমি আমার কিডনিতে একটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করেছিলাম এবং ট্রান্সপ্লান্ট হওয়ার কয়েকদিন আগে তিনি আমাকে কিছু পরিমাণ মূল্য (50 450,000,00 মার্কিন ডলার) দিয়েছিলেন, আমি ব্যবহার করেছি খুব দরিদ্র হতে এবং আমার পক্ষে খেতে অসুবিধা হয়, আমি এই বিষয়ে একটি সাক্ষ্য পেয়েছিলাম যে কীভাবে চিকিত্সক রাজ তার কিডনি দিয়ে একজন কেইন শনকে কিডনি দিয়েছিলেন, যে বলেছিল যে আগ্রহী কেউই এটিকে একটি ট্রায়াল দেয় এবং ফিরে আসে। সাক্ষ্য দিন, আমি (narayanahealthcare.in@gmail.com) হিসাবে ইমেলটি অনুলিপি করেছি এবং তিন ঘন্টারও কম সময়ে তাকে ডাক্তারের কাছ থেকে একটি উত্তর পেয়েছিলাম এবং আমরা দর কষাকষি করি এবং আমি একটি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করি, প্রয়োজনীয় চুক্তি গ্রহণ করি, সমাধান করি সমস্ত ইস্যু, কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা দু'জনেরই সম্মতি অনুসারে বেতন পেয়েছি এবং কোনও সমস্যা ছাড়াই রোগীকে বাঁচাতে আমার জন্য অপারেশন করার জন্য একটি তারিখ নেওয়া হয়েছিল এবং আমার ব্যালেন্সের অর্থ পেয়েছি, এখন আমি আর্থিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছি এবং…
আউটসোর্সিং শিখুন Professional way তে
সাথে ১০০% ইনকাম গ্যারান্টি।
ঘরে বসে লাইভ ক্লাশ করুন যেখানে খুশি যেভাবে খুশি।
outsourcing এটা কোন স্বপ্ন নয়, এটা হতে পারে আপনার ক্যারিয়ার।
ভিজিট করুন সাইটটিঃ
https://sites.google.com/view/intelligence-learning/note
অসাধারণ হয়েছে...এই পোস্টের আকারের চেয়ে আরো তিন গুন বড় কমেন্ট করে ও এই পোস্টের গুন প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। আপনার প্রতিনিয়ত পোস্টের মান দেখে আমি সত্যিই আশ্চর্য হয়ে যাই।
আপনি সত্যিই একজন জিনিয়াস 🙂 এরকম একটি ব্লগের নিয়মিত পাঠক হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সত্যি আজ অসম্ভব সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।অনেক বেশি ভালোবাসা রইল 💋
আমি একটা ব্লগ বানিয়েছি, লেখাপড়া বিষয়ক।
https://onesigmaeducation.blogspot.com/
ভিজিটর বাড়াবো কিভাবে পরামর্শ চাই।
অপেক্ষায় থাকবো।
ব্লগে নিয়মিত ভালোমানের আর্টিকেল লিখুন, সেই সাথে এসইও করুন।
ব্লগে ট্রাফিক গ্রো করার বিষয়ে আমাদের ব্লগে অনেক পোস্ট রয়েছে। সেগুলো পড়ুন, তাহলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ধন্যবাদ...
অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়:https://GramFree.world/?r=1845875
সহজে এই সাইট থেকে দৈনিক ২০/৩০ আয় করুন
https://cash4clickz.com/dashboard/invite.php?invite=jahed
Nice post.
স্যার আপনার এই পোস্ট পড়ার পর। আমার সমস্ত কনফিউশোন দুর হয়ে গেছে।আপনার সাইট ভিজিট করে আমি খুব উপকৃত হয়েছি।আপনাকে অনেক অনেক ।ধন্যবাদ
অসাধারন ভাই, আমি আমার https://www.beginninghub.com থেকে কিভাবে আয় করতে পারব।?
ব্লগ থেকে আয় করার সব ধরনের উপায় আমাদের ব্লগে শেয়ার করা আছে। পোস্টগুলো পড়লে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ভাই আমি অনলাইনে কাজ করতে চান।
ভাই আমি ডাটা এন্ট্রি কাজটি শিখে কাজ করতে চাই আমাকে হেল্প করবেন?
ভাই আমি ডাটা এন্ট্রি কাজটি শিখে কাজ করতে চাই আমাকে হেল্প করেন।
ডাটা এন্ট্রির কাজ একদম সহজ, যেকোন প্রতিষ্ঠান থেকে অল্প দিনে শিখে নিতে পারবেন।
গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে কিভাবে ঘরে বসে ইনকাম করতে হয় তা দেখার জন্য ভিজিট করুন এই সাইটে www.bdjo247.com
ভাই আমিতো গ্রাফিক্স ডিজাইন এব্ং খুব দ্রুত টাইপ করতে পারি। কিন্তু অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি অনলাইনে কাজ করতে কিন্তু কিছুতেই পারছিনা। আপনি কি আমাকে সাহায্য করতে পারেন?
গ্রাফিক্স ডিজাইন জানলে ফ্রিল্যান্সিং ও ইউটিউব সহ আরো বিভিন্ন উপায়ে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।
যেহেতু আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন ভালো পারেন তাই ফ্রিল্যান্সিং এর একটা ব্যাসিক কোর্স করে কাজে লেগে পড়ুন। আরোও জানতে আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন
Onlinetechnews71.blogspot.com
Web design
Demand for this specialty has grown significantly as a result of recent corporate scandals. 20 thousand to 1 lakh rupees can be easily earned in any project. Not all businessmen are technology savvy. They need a web designer to create their own website. Those who want to work as a web designer can open their own website and start a small business from there. Both coding and web design are now important in creating a website. Web designers are also needed for website management and updates. As a result, the designer does not have to sit still. The income of a web designer increases based on the client and the work.
আমি কাজ করতে চাই
ভাই আমার একটা অনলাইন জব লাগে কিন্তু কিভাবে করবো বুজতেছিনা।কেউ যদি পারেন আমাকর একটু সাহায্য করতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। কাজের অভীজ্ঞতা থাকলে অল্প সময়ে টাকা আয় করতে পারবেন।
গুরুত্তপূর্ণ একটি লিখা। অনেক ধরনের ইনকাম সম্পর্কে ধারণা পেলাম।
ধন্যবাদ
ভাইয়া আমি ফোন উজার আমাকে ভালো সত্যিকারের পিটিসি ইনকাম সাইটের লিংক দিবেন প্লিজ
অনলাইনে অসংখ্য পিটিসি সাইট রয়েছে। গুগলে সার্চ করলে খুব সহজে পেয়ে যাবেন।
এই সাইট গুলো থেকে পেমেন্ট খুবই কম পাবেন। তার থেকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন।
আরোও জানতে আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন
Onlinetechnews71.blogspot.com
খুব সুন্দর পোস্ট।
পোস্টটি পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
আমার কাজ কী
গুগল ব্লগস্পটে আমার ব্লগ সাইট করা আছে এবং সেখানে মূল ডোমেইনের সাব ডোমেইন যুক্ত করে রিলেটেড আছে। তাহলে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করতে কোন ঠিকানাটি দেখাবো? ব্লগস্পট সাইটের নাকি সাব ডোমেইনের?? সাব ডোমেইন ঠিকানাটি যেমন: blog.peonmama.com
আরেকটি বিষয় সাব ডোমেইন ঠিকানা দিয়ে যদি এডসেন্স পাওয়া যায় তাহলে এটি মূল ডোমেইন/সাইটে ব্যবহার করা যাবে কি?
সাব-ডোমেইন দিয়ে এডসেন্স আবেদন করতে হবে এবং এডসেন্স অনুমোদন হলে কেবলমাত্র সাব-ডোমেইনে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারবেন না।
আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
ধন্যবাদ...
Create Cpalead & earn $1000 a month. In today’s article, we will learn how to earn 1 thousand dollars a month by working as a CPA lead and how to create an account.
https://globalgiveaway.info/create-cpalead-account/
আপনার লিখান অনেক ভাল হয়ছে। আসাকরি আর ভাল লিখা আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন ।
আপনি টেক রেলেটেড লিখা পরেতে চান |
আমেরিকা ডিবি লটারি । ডিবি লটারি বাংলাদেশ । ডিবি লটারি বাংলাদেশ ২০২২
https://www.filtps.com/2020/12/america-db-lottery.html ক্লিক করুন
আমি কাজ করতে চাই
ভাই আমি কিভাবে অনলাইন ইনকাম শুরু করতে পারি কেউ যদি সাহায্য করতেন?
একবারে নতুন হয়ে থাকলে বড় বড় প্রজেক্টে হাত দেওয়ার নেই। আগে কি করবেন সেটা বেছে নিন। যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে আগে কিছু কোর্স করে আসুন। আমার কিছু কোর্স আছে। যদি নিতে চান তাহলে আমার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। ফ্রিতেই দেবো।
আমার ওয়েবসাইট: onlinetechnews71.blogspot.com
আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই। কিন্তু কিভাবে শুরু করব।
মোট দুইটি কোর্স করলে ফ্রিল্যান্সিং ভালো ভাবে পারবেন।
1. ব্যাসিক ফ্রিল্যান্সিং
2. গ্রাফিক্স ডিজাইন, সোশ্যাল মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং, ওয়েব ডেভলপমেন্ট ইত্যাদি কোর্স গুলো করতে পারেন। আরোও অনেক কাজ আছে তবে এই গুলোর চাহিদা সবথেকে বেশি। আমার কাছে অনেক গুলো কোর্স আছে যদি লাগে তাহলে আমার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমার সাথে কন্ট্যাক্ট করুন। কোর্স গুলো ফ্রিতেই দেবো।
আমার ওয়েবসাইট: onlinetechnews71.blogspot.com
আমি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাই। যদি কেউ সাহায্য করেন তাহলে ভালো হয়।
আমি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে একটু আধটু লেখালিখি করি চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।
আমার ওয়েবসাইট: onlinetechnews71.blogspot.com
ধন্যবাদ
আমি আর্টিকেল লেখার পার্ট টাইম জব করতে চাই। আপনারা কি দিবেন?
সরি, আমরা কোন লেখক নিয়োগ করি না। আপনি অনলাইনে সার্চ করেন। এ ধরনের অনেক জব পেয়ে যাবেন।
আমি প্রথমে অনলাইনে খুব কষ্ট করছি। তারপর ৬ মাস পর সফলতা পেয়েছি। আমার সাইট দেখতে পারেন www.times-bangladesh.com
প্রিয় ভাই, আমার সালাম নিবেন, আপনার এই সাইট টি আমি খুব পছন্দ করি । আশাকরি প্রতিদিন আরো নতুন নতুন টিপস আমাদের কে দিবেন । ধন্যবাদ ।
Thanks, stay us for future update.
অনেক কিছু শিখতে পারলাম।
আচ্ছা, ভাইয়া।
আমি একজন নতুন ব্লগার।
আমি আমার ব্লগে যদি বাংলায় লেখালেখি করি,
তাহলে, আমার ব্লগ সেটিং এর ভাষা কি বাংলায় রাখতে হবে? নাকি ইংরেজিতে ও রাখা যাবে?
আর, ব্লগের বিভিন্ন পেইজ কি বাংলায় রাখতে হবে নাকি ইংরেজিতে লেখা যাবে এডসেন্সের এপ্রুভাল পাউয়ার জন্য?
আপনার পছন্দমত যেকোন ভাষা রাখতে পারেন।
এডসেন্স বাংলা ভাষা সাপোর্ট করে। এখন আপনি বাংলায় লিখবেন নাকি অন্য ভাষায় লিখবেন সেটা আপনার ব্যাপার।
আমি একজন ছাত্র অনলাইনে কাজ করতে চাই কিন্তু কিভাবে করব ভেবে পাচ্ছিনা প্লিজ হেল্প
যদি অবসর সময়ে কাজ করতে চান তাহলে ব্লগার, ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউবিং ইত্যাদি বেস্ট হবে।
দয়া করে আমার ওয়েবসাইট একটু ঘুরে আসুন।
আমার ওয়েবসাইট: onlinetechnews71.blogspot.com
ভাই আমি চাকরির পাশাপাশি ফ্রীল্যানসিং এর কাজ করতে চাইতেছি। কিন্তু কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছি না।
আমাদের ব্লগে ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত পোস্টটি পড়ুন। তাহলে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
অনেক কিছু শিখতে পারলাম আপনার পোস্টটি পড়ে। ধন্যবাদ by technicalalamin.com
ভাই , আমি কাজ করতে চাই, কিন্তু কি ভাবে করবো ।
কেউ হেল্প করলে আমি খুশি হব
অনলাইনে ইনকাম করার বিষয়ে আমাদের ব্লগে আরো বেশ কয়েকটি পোস্ট আছে। সবগুলো পোস্ট পড়লে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
আমি এই কাজ করতে চাই আমার ফোন নাম্বার 01839814047
Can I translate from Bengali to English and earn money by blogging?
ভাই কিছুদিন আগে আমার ব্লগে Invalid Click Issue এর জন্য এড লিমিট দেয়। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এডে ক্লিক করে এই কাজ করছে। আপনার তো হেটার্স আমার চেয়ে বেশি হবে (পজিটিভ অর্থে)। আপনি এটা সামাল দেন কীভাবে? Invalid ক্লিক এড়ানোর উপায় আছে?
সাধারণত ব্লগে ট্রাফিক কম থাকলে Invalid Click এর দরুন এড লিমিট হয়। কিন্তু যখন ব্লগে ট্রাফিক পর্যাপ্ত থাকে তখন Invalid Click গুলো গুগল এর কাছে সহজে ধরা পড়ে না বা গুগল সেগুলোকে সিরিয়াসলি নেয় না।
তাছাড়া কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ব্লগে Invalid Click করলেই এড লিমিট হবে না। এটা সাধারণত ছোটখাটো ব্লগের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। বড় বড় ব্লগের এ ধরনের সমস্যা হয় না।
আমি নিজেও এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার Invalid Click এর জন্য এড লিমিট এর শিকার হয়েছি। কিন্তু আমি নিয়ম মেনে ব্লগিং করার কারনে অল্প দিনের মধ্যে এড লিমিট খোলে যায়।
আসলে আমি এডসেন্স থেকে টাকা আয় নিয়ে তেমন চিন্তা করি না। কারণ আমি গুগল ব্লগস্পট দিয়ে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্লগিং করি। ব্লগে লেখালেখি করাটা আমার এক ধরনের সখ। কিছু টাকা আয় হলে সেটা আমি বোনাস হিসেবে নেই। এডসেন্স থেকে ইনকাম করতেই হবে এমনটা আমি চিন্তা করি না।
মোট কথা হচ্ছে এড লিমিট এর দিকে মনোযোগ না দিয়ে আন্তরিকতার সহিত ব্লগিং করুন। তাহলে ব্লগে ট্রাফিক বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার ব্লগ এক সময় কোয়ালিটি ব্লগ হিসেবে গড়ে উঠবে। তখন ব্লগ থেকে আয় করাটা কেউ আপনার ঠেকাতে পারবে না।
ধন্যবাদ...
ভাই খুবই সুন্দর একটি আর্টিকেল লিখেছেন। আমিও ব্লগিং করি। ব্লগিং নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।
অসাধারণ একটি পোস্ট। অনেক কিছু শিখতে পারলাম।
১. ভাইয়া বাংলা সাইটের জন্য এডসেন্স নিয়ে পরে যদি বাংলা + ইংরেজি দুই ভাষাতেই এজই সাইটে পোস্ট করি তবে কী কোন সমস্যা হবে? মানে গুগল এডসেন্স পরবর্তী কোন সময় এইটা পলিসি ভায়োলেন্স হিসেবে ধরবে?
ভাইয়া যেই বিষয়ে লিখতে যাই দেখি আপনার পোস্ট র্যাংক করা আছে ইভেন কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে গিয়ে দেখি গুগল তার সাবডোমেইনের সাথে একমাত্র আপনার সাইটকে টপ ১০ এ রেখেছে।
বাংলা ইংরেজি এক সাথে করলে এডসেন্স থেকে কোন সমস্যা হবে না। করতে পারেন...
অনেক কিছু জানতে পারলাম এটি পড়ে, ধন্যবাদ আপনাকে
আমি একটা আইডি খুলেছি কিন্তু কিভাবে কাজ করব বুঝতে পারছি না।পাইওনার নামে একাউন্টটি চালু করেছি।তবে আর একটি কথা বুঝতে পারছি না $0.01/$00.10বাংলাদেশি টাকা কত বুঝায়?
$0.01=0.8৳ এবং $00.10=8৳
অসাধারণ পোস্ট। যা নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বেশ কার্যকর।
ধন্যবাদ।
emon kono coding ache??? jar madhome amar bolg e 100 comment korle o 5-6 show korben r baki ta see more click korle dekha jabe?????
ভাইয়া আপনাদের পোস্ট খুব ভালো লেগেছে। আমি একটা বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলাম, যদি এ বিষয়ে একটা পোস্ট করতেন তাহলে খুব উপকৃত হতাম। নিচে দেওয়া লিংকে একটা পোস্ট করেছে অনলাইন ইনকামের বিষয়ে, এটা আসলে কতটা কার্যকর বা এখানে আসলেই কাজ করা যায় কিনা এ বিষয়ে একটা পোস্ট করুন প্লিজ। তারা পোস্ট করেছে https://FikPay.com কে নিয়ে। পোস্ট লিংকঃ https://www.priyoinfo.com/priyo-info/post-id-589/
এগুলো ভরসা করার মত নয়। তাছাড়া এখান থেকে আপনি দীর্ঘদিন ইনকাম করতে পারবেন না।
thanks for this information..very helpful content
বাংলা ওয়েবসাইট এর জন্য বাংলাদেশে কোন ভালো এড কোম্পানী আছে? এডসেন্স এর মত?
আসলে বাংলা কনটেন্টের জন্য গুগল এডসেন্স ছাড়া তেমন ভালো কোন এড কোম্পানি নেই। তবে আপনার ব্লগে মাসে ১০ হাজারের বেশি পেজভিউ (সেশন) থাকে তাহলে Ezoic এড থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে পেমেন্ট নিতে কিছুটা জঠিলতায় পড়তে হবে।
অসাধারণ। ধন্যবাদ।
Thank you...
ধন্যবাদ ভাই। আসলে আপনার লিখাগুলো অনেক সুন্দর হয়। আমিও চেষ্টা করতেছি যতটুকু সম্ভব বা জানি মানুষকে সাহায্য করার। আপনারা চাইলে আমার এই পোষ্টটি পড়ে প্রতিদিন ২০০ থেকে ১০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। দেখে আসার আমন্ত্রণ রইলোঃ https://techfahimn.blogspot.com/2022/03/online-earning-site-bd-payment-bkash.html
বাংলা সাইটে ভিজিটর বাড়ানোর বিষয় পোস্ট আশা করছি।
এ ধরনের অনেক পোস্ট আমাদের ব্লগে আছে। তবে আপনি যখন বলেছেন সেহেতু খুব শীঘ্রই স্পেছিফিক একটি পোস্ট শেয়ার করার চেষ্টা করব।
ধন্যবাদ...
এটা আমার অগ্রগতির সাক্ষ্য। আমি ইন্টারনেটে একজন ব্যক্তির সাক্ষ্য পেয়েছি যিনি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে তিনি তার হাসপাতালের একজন রোগীকে $600,000USD-এ বাঁচানোর জন্য তার একটি কিডনি NA HEALTH CARE ( NAHEALTHCARE.IN@GMAIL.COM ) কে বিক্রি করেছেন তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি
এখনই NA HEALTH CARE-এর সাথে যোগাযোগ করুন যদি তারা আমার একটি কিডনি কিনতে আগ্রহী হন এবং সৌভাগ্যবশত আমার জন্য, তিনি বলেছিলেন যে তাদের হাসপাতালে বিশ্বাস করার জন্য তাদের সবসময় কিডনি প্রয়োজন এবং তারা যতটা সম্ভব কিনতে ইচ্ছুক। তাই, আমরা আলোচনা করেছি এবং বহু বছর দারিদ্র্যের মধ্যে থাকার পর আজ আমি এতটাই খুশি যে আমি আমার একটি কিডনি $600,000 ইউএসডি দামে বিক্রি করেছি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। আপনি একটি আত্মা বাঁচাতে আপনার একটি কিডনি বিক্রি করতে চান নাকি আপনি কিনতে চান?
একটি কিডনি তারপর ইমেলের মাধ্যমে NA হেলথ কেয়ারের সাথে যোগাযোগ করুন: NAHEALTHCARE.IN@GMAIL.COM
হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর: +19099134258
ভাই আমার ওয়েবসাইটের বয়স ৯ মাস। দুদিন আগে এডসেন্স পাইছি ৬ বার এপ্লাই করার পর। আমার ওয়েবসাইটে ভিজিটর হয় ডেইলি ৩০০-৩৫০+ আর ইম্প্রেশন ৭০০০-৮০০০+ আর পোস্ট সংখ্যা বর্তমানে ১২০টা।
আমি প্রতি দুদিন পর একটা করে কন্টেন্ট দিচ্ছি। সাইটের বয়স + পোস্ট সংখ্যা অনুযায়ী আমার সাইটের এক্টিভিটি কি ঠিক আছে ভাই? এটাকে বড় করার জন্য কোনো পরামর্শ বা কন্টেন্ট লিংক থাকলে প্লিজ দিবেন।
আমার খুব ইচ্ছা এটাতে ডেইলি ১ লাখ + ভিজিটর নিয়ে আসা।
উইব্লগবিডি
আপনার ব্লগের আর্টিকেল আমি চেক করেছি। আপনি বিভিন্ন ক্যাটাগরির আর্টিকেল শেয়ার করতেছেন। মাল্টি নিশ নিয়ে কাজ করলে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক কম পাওয়া যায়।
আরো যাচাই বাছাই করে নিয়মিত আর্টিকেল শেয়ার করতে থাকেন। এক সময় আপনি নিজেই দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং আপনার ব্লগে কী কী করতে হবে সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
ধন্যবাদ...